মায়ের গর্ভে শিশুর হিচকি

বলা হয় যে ভুল করে এম্নীয়তিক ফ্লুইড খেয়ে নিলে হেঁচকি ওঠে শিশুদের। ফুসফুস ও দিয়াফ্রাগ্ম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই হেঁচকি হয়।

এটি খুব স্বাভাবিক একটি ঘটনা ও বোঝা যায় যে শিশু সুস্থ ভাবে মানুষ হচ্ছে। এটা হলে পেটে টানা একটি মুভমেন্ট হয়। যদি ক সেকেন্ডের বেশি এই অবস্থা থাকে তো ডাক্তার দেখান। মাঝে মাঝে হেঁচকি তুলে শিশুর অবস্থান বদলে যায়।

দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাশিকে এগুলি হয়ে থাকে ও তাড়াতাড়ি দমে যায়। পেটে হালকা করে হাত বুলিয়ে দিলেও শান্ত হয়ে যায় শিশু। দিনে ১-২ বার এই জিনিসটি হতে পারে।

নবজাত শিশুদের মধ্যে হিচকি খুব স্বাভাবিক। গর্ভাবস্থায় যদি সে হিচকি তুলে থাকে তাহলে জন্মের পরেও তুলবে। কিন্তু এটি নিয়ে কোনো বিশেষ চিন্তা নেই।

আরো অন্যান্য কারন হিক্কা  বা হেঁচকি কোনো গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা না হলেও এটি যথেষ্ট বিরক্তিকর। এই হিক্কা সৃষ্টি হওয়ার প্রক্রিয়াটি হচ্ছে যেকোনো কারণেই হোক, একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ডায়াফ্রাম বা মধ্যচ্ছদার সংকোচন ঘটে এবং স্বররজ্জু হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এতে হিক শব্দের সৃষ্টি হয়। এটি সাধারণত বদহজম, খুব তাড়াতাড়ি কিছু খেলে বা পান করলে, খালি পেটে হাসলে এবং ক্লান্ত হয়ে গেলে ইত্যাদি কারণে হতে পারে।

এ ছাড়া আরো অনেক কারণ আছে। তবে হিক্কার সঠিক কারণ সম্বন্ধে কোনো নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই। এতে এর প্রশমনের উপায় সম্বন্ধেও বৈজ্ঞানিকভাবে রয়েছে মতপার্থক্য।

tinystep

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *